হজ ও ওমরাহ যাত্রীদের সেবায় সৌদি আরবের দীর্ঘ ঐতিহ্য তুলে ধরতে মক্কায় বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে হাদিয়াহ চ্যারিটি অ্যাসোসিয়েশন। সোমবার উদ্বোধন হওয়া এ প্রদর্শনীতে অতীতের গৌরবময় ইতিহাসের পাশাপাশি চলমান নানা উন্নয়ন প্রকল্পও তুলে ধরা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
হাদিয়াহর বোর্ড চেয়ারম্যান হাতেম আল-মারজুকি জানান, প্রদর্শনীটি দুই পবিত্র মসজিদের সেবায় সৌদি আরবের ঐতিহ্য ও ইবাদতকারী, হজ ও ওমরাহ যাত্রীদের প্রতি যত্নের দীর্ঘ ইতিহাসকে ধারণ করে।
তিনি বলেন, এ আয়োজন আমাদের গর্বের প্রতীক, যা মুসলিম উম্মাহর সেবায় সৌদি নেতৃত্বের অঙ্গীকারকে সামনে নিয়ে এসেছে।
বিজ্ঞাপন
অতীত থেকে বর্তমান
আয়োজকদের মতে, হজযাত্রীদের সেবায় সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ শুরু হয় বাদশা আবদুল আজিজের সময় থেকে। বর্তমানে বাদশাহ সালমান ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সময়ে এ খাতে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। মসজিদে মুসল্লিদের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি, যাত্রীদের জন্য নতুন আবাসন, আধুনিক খাবারের ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে।
মৌলিক সুবিধার পাশাপাশি যেসব যাত্রী বাড়তি স্বাচ্ছন্দ্য চান তাদের জন্য রয়েছে বিশেষায়িত তাঁবু, উন্নত খাবার, ব্যক্তিগত পরিচর্যা সামগ্রী, ২৪ ঘণ্টার চিকিৎসা সেবাসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা।
সম্প্রতি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় চালু করেছে ডিজিটাল ‘নুসুক ওমরাহ সার্ভিস’, যেখানে কোনো মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই বিদেশি যাত্রীরা সরাসরি অনলাইনে ভিসার জন্য আবেদন করতে ও প্রয়োজনীয় সেবা বুক করতে পারবেন।
প্রদর্শনীটি সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, নাগরিক সংগঠন এবং হজ-ওমরাহ খাতের পেশাজীবীদের জন্য উন্মুক্ত। আগ্রহীরা হাদিয়াহ চ্যারিটি অ্যাসোসিয়েশনের যোগাযোগ বিভাগে নিবন্ধনের মাধ্যমে অংশ নিতে পারবেন।
আল-মারজুকি আরও বলেন, সৌদি নেতৃত্বের সহায়তা না থাকলে বেসরকারি সংগঠনগুলো এত বড় পরিসরে কাজ করতে পারত না। তাদের সহযোগিতায় সামাজিক উন্নয়ন ও ধর্মীয় সেবার মিশন আরও সফলভাবে বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে।
সূত্র : আরব নিউজ
বিজ্ঞাপন
হাদিয়াহর বোর্ড চেয়ারম্যান হাতেম আল-মারজুকি জানান, প্রদর্শনীটি দুই পবিত্র মসজিদের সেবায় সৌদি আরবের ঐতিহ্য ও ইবাদতকারী, হজ ও ওমরাহ যাত্রীদের প্রতি যত্নের দীর্ঘ ইতিহাসকে ধারণ করে।
তিনি বলেন, এ আয়োজন আমাদের গর্বের প্রতীক, যা মুসলিম উম্মাহর সেবায় সৌদি নেতৃত্বের অঙ্গীকারকে সামনে নিয়ে এসেছে।
বিজ্ঞাপন
অতীত থেকে বর্তমান
আয়োজকদের মতে, হজযাত্রীদের সেবায় সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ শুরু হয় বাদশা আবদুল আজিজের সময় থেকে। বর্তমানে বাদশাহ সালমান ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সময়ে এ খাতে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। মসজিদে মুসল্লিদের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি, যাত্রীদের জন্য নতুন আবাসন, আধুনিক খাবারের ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে।
মৌলিক সুবিধার পাশাপাশি যেসব যাত্রী বাড়তি স্বাচ্ছন্দ্য চান তাদের জন্য রয়েছে বিশেষায়িত তাঁবু, উন্নত খাবার, ব্যক্তিগত পরিচর্যা সামগ্রী, ২৪ ঘণ্টার চিকিৎসা সেবাসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা।
সম্প্রতি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় চালু করেছে ডিজিটাল ‘নুসুক ওমরাহ সার্ভিস’, যেখানে কোনো মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই বিদেশি যাত্রীরা সরাসরি অনলাইনে ভিসার জন্য আবেদন করতে ও প্রয়োজনীয় সেবা বুক করতে পারবেন।
প্রদর্শনীটি সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, নাগরিক সংগঠন এবং হজ-ওমরাহ খাতের পেশাজীবীদের জন্য উন্মুক্ত। আগ্রহীরা হাদিয়াহ চ্যারিটি অ্যাসোসিয়েশনের যোগাযোগ বিভাগে নিবন্ধনের মাধ্যমে অংশ নিতে পারবেন।
আল-মারজুকি আরও বলেন, সৌদি নেতৃত্বের সহায়তা না থাকলে বেসরকারি সংগঠনগুলো এত বড় পরিসরে কাজ করতে পারত না। তাদের সহযোগিতায় সামাজিক উন্নয়ন ও ধর্মীয় সেবার মিশন আরও সফলভাবে বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে।
সূত্র : আরব নিউজ