হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সদর ইউনিয়নের উত্তর গোগাউড়া গ্রামে সরকারি জনচলাচলের রাস্তার ইটসলিং নির্মাণকাজকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। রাস্তার কাজে আইনি জটিলতার ভয়ে সরাসরি বাধা দিতে না পেরে ঠিকাদারের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে।
গতকাল বৃহস্পতিবার উপজেলার সদর ইউনিয়নের গোগাউড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় উত্তর গোগাউড়া গ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ জনচলাচলের রাস্তার ইটসলিং নির্মাণকাজের দায়িত্ব পান ঠিকাদার অনু মিয়া ও সিফাত। কাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই একই গ্রামের কুদ্দুছ মিয়ার ছেলে তৌফিক মিয়া, সফিক মিয়া এবং মৃত আব্দুল ওহাবের ছেলে কুদ্দুছ মিয়া বিভিন্নভাবে কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযুক্তদের দাবি রাস্তার প্রসস্থ কমিয়ে করার আহবান জানান। তা না হলে কাজ করতে দিবে না।
এরই প্রেক্ষিতে ঠিকাদারের বাড়ি ঘরে হামলা চালায় অভিযুক্তরা।
এ বিষয়ে ঠিকাদার সিফাতের দাবি, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সরকারি কাজ চলমান থাকায় অভিযুক্তরা সরাসরি কাজ বন্ধ করতে ব্যর্থ হয়ে তার বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা বাড়ির সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করে ঘরে প্রবেশ করে নগদ টাকা লুটপাট ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। এ সময় তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এলাকায় অবস্থান নেয় এবং ঠিকাদার ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত মঙ্গলবার রাস্তার কাজ শুরু পর কয়েকজনকে দেশীয় অস্ত্র হাতে এলাকায় ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে, যা এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে।
এর আগে সরকারি রাস্তার কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঠিকাদার সিফাতকে মারধরের অভিযোগও ওঠে। এতে তিনি আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ঘটনার বিষয়ে ঠিকাদার সিফাত চুনারুঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।
ঘটনার খবর পেয়ে চুনারুঘাটের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌফিক আনোয়ার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, “সরকারি উন্নয়নমূলক কাজে বাধা প্রদান কিংবা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ নেই। অভিযোগের সত্যতা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার উপজেলার সদর ইউনিয়নের গোগাউড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় উত্তর গোগাউড়া গ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ জনচলাচলের রাস্তার ইটসলিং নির্মাণকাজের দায়িত্ব পান ঠিকাদার অনু মিয়া ও সিফাত। কাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই একই গ্রামের কুদ্দুছ মিয়ার ছেলে তৌফিক মিয়া, সফিক মিয়া এবং মৃত আব্দুল ওহাবের ছেলে কুদ্দুছ মিয়া বিভিন্নভাবে কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযুক্তদের দাবি রাস্তার প্রসস্থ কমিয়ে করার আহবান জানান। তা না হলে কাজ করতে দিবে না।
এরই প্রেক্ষিতে ঠিকাদারের বাড়ি ঘরে হামলা চালায় অভিযুক্তরা।
এ বিষয়ে ঠিকাদার সিফাতের দাবি, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সরকারি কাজ চলমান থাকায় অভিযুক্তরা সরাসরি কাজ বন্ধ করতে ব্যর্থ হয়ে তার বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা বাড়ির সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করে ঘরে প্রবেশ করে নগদ টাকা লুটপাট ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। এ সময় তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এলাকায় অবস্থান নেয় এবং ঠিকাদার ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত মঙ্গলবার রাস্তার কাজ শুরু পর কয়েকজনকে দেশীয় অস্ত্র হাতে এলাকায় ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে, যা এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে।
এর আগে সরকারি রাস্তার কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঠিকাদার সিফাতকে মারধরের অভিযোগও ওঠে। এতে তিনি আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ঘটনার বিষয়ে ঠিকাদার সিফাত চুনারুঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।
ঘটনার খবর পেয়ে চুনারুঘাটের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌফিক আনোয়ার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, “সরকারি উন্নয়নমূলক কাজে বাধা প্রদান কিংবা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ নেই। অভিযোগের সত্যতা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।